ইসরাফিল (আ.)-এর প্রথম সিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার সাথে সাথে গোটা মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। পাহাড়গুলো ধুলার মতো উড়ে যাবে, নক্ষত্রগুলো খসে পড়বে এবং সাগরগুলো আগুনে পরিণত হবে। [00:00:29]
দ্বিতীয় সিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার পর মানুষ কবর থেকে জীবিত হয়ে উঠবে। হাশরের ময়দানে সূর্যের তীব্র তাপ এবং নিজ নিজ আমলের প্রতিফলনে মানুষ আতঙ্কিত থাকবে। [00:02:56]
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সেদিন মানুষ কবর থেকে বের হবে নির্বস্ত্র ও অসহায়। তারা কেবল নিজেদের আমল নিয়ে চিন্তিত থাকবে। [00:04:51]
ভয়াবহ অপেক্ষার পর মানুষ নবীদের কাছে সুপারিশের জন্য যাবে। অবশেষে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) সেজদায় লুটিয়ে পড়বেন এবং তাঁর সুপারিশে বিচারের কাজ শুরু হবে। [00:08:53]
সেদিন সাত প্রকারের লোক আল্লাহর আরশের ছায়ায় আশ্রয় পাবেন, যখন অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। [00:07:01]
মানুষের আমল পরিমাপের জন্য মীজান স্থাপন করা হবে। যারা নেককার তারা ডান হাতে আমলনামা পাবে, আর পাপীরা পাবে বাম হাতে বা পেছন দিক দিয়ে। [00:13:01]
তৃষ্ণার্ত মুমিনদের জন্য থাকবে হাউজে কাউসার, যার পানি মধুর চেয়েও মিষ্টি। [00:14:04]